পথের পাঠ্য পুস্তক পড়ে
পথের পাঠ্য পুস্তক পড়ে সিদ্ধান্তে দেখি
দূরত্ব হারিয়ে গেছে বাঁকা গলির চিকন
সীমানা ধরে অচীন দেশে। শেষে আমি
শূন্যতার গর্ভে খুঁজি পরিণতির সংবিধান
যেখানে ক্ষমা শব্দটি মার্জনা যোগ্য নয়।
আঁধারের আশ্চর্য বহর
আঁধারের আশ্চর্য বহর অলক্ষ্যে প্রস্তুতি
নিয়ে সামনে এগিয়ে আসছে তড়িঘড়ি।
অনুপ্রবেশ করলেই আলোদের বস্তাবন্দি
করে নিয়ে যাবে প্রশান্ত সাগরের গর্ভে।
আলোর জল সমাধি হলে আমাদের রং
অনন্তকালের গভীর খাদে হারিয়ে যাবে।
মৃত গর্বের ধুলোবালি
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যাও মন
দেখবে পরিধির বাইরেই অনন্তকাল।
সেখানে আঁধার মাটির সড়ক পথেরা
নির্দেশে চলে গেছে দূরত্ব ঠিকানায়।
বিশাল শূন্যের বায়ু যানে তোমাকেই
যেতে হবে যেতেই হবে তোমার শূন্য
শূন্য আর মৃত গর্বের ধুলোবালি নিয়ে।
কথা ফুল
হয়তো এখনই ঘুমভাব অন্তে জাগল কথা ফুল
হয়তো এখনই আত্মপ্রকাশ হবে কথা ফুলের
মন মঞ্জরীপত্রের সময়ের সঞ্চিত অব্যক্ত কথা
হয়তো এখনই কথা ফুলের ইচ্ছার মিষ্টি গন্ধ
ছড়িয়ে পড়বে। ধীরস্থ নিলুয়া বাতাস শরীরে।
দুই নয়নে অফুরন্ত ঘুম
একটি দিন আসছে, দিন। দিনের সকল উৎসব
আমি দেখতে পারবো না। বসতে দিতে পারবো
না। আদর ¯েœহ করতে পারবো না। মিষ্টি কথায়
দু’টো কথা বলতে পারবো না। দিনটি কী স্থিতি
অবলম্বনে আমাকে নিয়ে যাবে,তাও তো দেখতে
পারবো না। তখন আমার দুই নয়নে শীতল ঘুম।